শিশুর জ্বর হলে কী করবেন? | Paediatric Specialist in Tangail

শিশুর জ্বর হলে কী করবেন?
শিশুর জ্বর হলে অনেক বাবা-মা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংক্রমণের কারণেও শিশুদের জ্বর হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জ্বর সাধারণ সমস্যা হলেও কিছু পরিস্থিতিতে এটি গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। তাই শিশুর জ্বরকে অবহেলা করা উচিত নয়।
শিশুর জ্বর কী?
শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে তাকে জ্বর বলা হয়। সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪°F বা তার বেশি হলে সেটিকে জ্বর হিসেবে ধরা হয়।
শিশুর জ্বরের সাধারণ লক্ষণ
- শরীর গরম হয়ে যাওয়া
- অতিরিক্ত কান্না করা
- খেতে না চাওয়া
- দুর্বল লাগা
- ঘুম ঘুম ভাব
- শরীর কাঁপা
- বমি হওয়া
- কাশি বা সর্দি থাকা
শিশুর জ্বরের কারণ
১. ভাইরাল ইনফেকশন
শিশুদের জ্বরের সবচেয়ে সাধারণ কারণ ভাইরাল সংক্রমণ।
২. ঠান্ডা ও সর্দি
ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশির কারণেও জ্বর হতে পারে।
৩. ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন
গলা, কান বা ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে জ্বর হতে পারে।
৪. টিকা নেওয়ার পর
কিছু টিকা নেওয়ার পর সাময়িকভাবে জ্বর হতে পারে।
কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?
- ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে
- শিশু খেতে না চাইলে
- শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
- খিঁচুনি হলে
- অতিরিক্ত ঘুমালে
- বারবার বমি হলে
শিশুর জ্বর হলে করণীয়
- শিশুকে পর্যাপ্ত পানি পান করান
- হালকা কাপড় পরান
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দিন
- বিশ্রামে রাখুন
- তাপমাত্রা নিয়মিত মাপুন
যা করবেন না
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন না
- অতিরিক্ত গরম কাপড় পরাবেন না
- শিশুকে না খাইয়ে রাখবেন না
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করছেন Dr. Md. Sajib Hasan। শিশুর জ্বর দীর্ঘদিন থাকলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট
📞 +8801714789081
📍 LabZone Hospital & Hormone Center, Tangail
FAQ
শিশুর কত তাপমাত্রা হলে জ্বর ধরা হয়?
সাধারণত ১০০.৪°F বা তার বেশি হলে জ্বর ধরা হয়।
শিশুর জ্বর হলে কি গোসল করানো যাবে?
কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে।
জ্বর হলে কি সবসময় অ্যান্টিবায়োটিক লাগে?
না, ভাইরাল জ্বরে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না।
শিশুর জ্বর কতদিন থাকলে ডাক্তার দেখাবেন?
৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখানো উচিত।
কখন Paediatrician দেখাবেন?
শিশুর শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত।